ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার টিপস

 

ঘরে বসে মোবাইলে দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার টিপস সম্পর্কে জানতে এই গাইড টি আপনার জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করি। এখানে সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা সঠিক পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।

ঘরে-বসে-মোবাইল-দিয়ে-বিকাশ-একাউন্ট-খোলার-টিপস

এছাড়াও এই লেখাই বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করে কিভাবে দ্রুত অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করবেন, এন আইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করবেন এবং নিরাপদ ভাবে বিকাশ ব্যবহার করবেন সেই সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হয়েছে। তাই যারা ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে চান তারা এ সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার টিপস

ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার টিপস 

ঘরে বসে মোবাইলে বিকাশ একাউন্ট খোলার টিপস এখন অনেক মানুষের জন্য খুবই উপকারী একটি বিষয়। বর্তমানে বিকাশ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, যার মাধ্যমে খুব সহজে টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ করা কিংবা মোবাইল চার্জ করা যায়। আগে বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য এজেন্টের দোকানে যেতে হতো, কিন্তু এখন স্মার্ট ফোন থাকলে ঘরে বসে কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করে নতুন বিকাশ একাউন্ট খোলা যায়। এতে সময় বাজে এবং ঝামেলা অনেক কম হয়

ঘরে বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য প্রথমে আপনার একটি সচল মোবাইল ফোন নাম্বার, একটি স্মার্ট ফোন এবং জাতীয় পরিচয় পত্র প্রয়োজন। এরপর গুগল প্লে স্টোর থেকে বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করে সেখানে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার অপশন নির্বাচন করতে হবে। ধাপে ধাপে নিজের মোবাইল নাম্বার, এন আইডি তথ্য এবং প্রয়োজনীয় ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করলে খুব সহজে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা যায়। পুরো প্রক্রিয়াটি খুব সহজভাবে সাজানো, তাই নতুন ব্যবহারকারীরাও সহজে বুঝে নিতে পারেন।

এছাড়া বিকাশ খোলার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী। যেমন নিজের সঠিক তথ্য ব্যবহার করা, নিরাপদ একটি পিন সেট করা এবং অন্য কাউকে না জানানো। একবার অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গেলে ঘরে বসে বিকাশ অ্যাপ দিয়ে খুব সহজেই টাকা পয়সা লেনদেন করতে পারবেন। আর এই গাইডে ধাপে ধাপে কিভাবে আপনি ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলবেন তা সুন্দরভাবে বলা হয়েছে।

বিকাশ একাউন্ট খুলতে যা যা লাগবে

বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলতে যা যা লাগবে তা আগে থেকে জানা থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়ে যায়। বর্তমানে বিকাশ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসগুলোর একটি, যার মাধ্যমে খুব সহজে টাকা লেনদেন করা যায়। তাই নতুন ব্যবহারকারীরা যখন বিকাশ একাউন্ট খুলতে চান, তখন তাদের কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস আগে থেকে প্রস্তুত রাখা দরকার। এতে করে একাউন্ট খোলার সময় কোন ঝামেলা বা দেরি হয় না।

বিকাশ একাউন্ট খুলতে যা যা লাগবে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো একটি স্মার্টফোন ও একটি সচল মোবাইল নাম্বার। এছাড়াও আপনার নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে, কারণ বিকাশ একাউন্ট খোলার সময় এ তথ্য দিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করার সময় আপনার এন আই ডি নম্বর দিতে হবে এবং অনেক ক্ষেত্রে এনআইডি কার্ডের ছবি তুলেও আপলোড করতে হতে পারে। তাই আগে থেকে এই কাগজপত্র  প্রস্তুত রাখলে পুরো প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পূর্ণ করা সম্ভব।

আরো পড়ুনঃ

মোবাইলে বিকাশ এপ ডাউনলোড করার নিয়ম

ঘরে বসে মোবাইলে বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করার নিয়ম খুব সহজ এবং কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলে যে কেউ এটি করতে পারেন। বর্তমানে বিকাশে ব্যবহার করে ঘরে বসে টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ করা, বিল পরিশোধ করা এবং আরো অনেক আর্থিক কাজ করা যায়। তাই বিকাশের সুবিধা উপভোগ করার জন্য প্রথমে আপনার মোবাইলে বিকাশ অ্যাপ টা ডাউনলোড করা জরুরী।মোবাইলে বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করার নিয়ম হলো প্রথমে আপনার স্মার্ট ফোন থেকে গুগল প্লে স্টোর খুলতে হবে। এরপর সার্চ বক্সে বিকাশ লিখে সার্চ করতে হবে। তখন অফিসিয়াল বিকাশ অ্যাপটি আপনার সামনে চলে আসবে। সেখানে থাকা ইনস্টল বা গ্রেট পাটনে ক্লিক করলেই অ্যাপটি ডাউনলোড হয়ে আপনার মোবাইলে ইন্সটল হয়ে যাবে। 

পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে থাকে।অ্যাপটি ডাউনলোড হয়ে গেলে সেটি ওপেন করে আপনি খুব সহজেই নতুন বিকাশ একাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। তবে অ্যাপ ডাউনলোড করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন সেটি বিকাশের অফিশিয়াল অ্যাপ হয়, যাতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ থাকে। এভাবে খুব সহজে মোবাইল ফোন দিয়ে বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহার শুরু করা যায়।

বিকাশ অ্যাপ এ নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন শুরু

বিকাশ অ্যাপ এর নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন শুরু করা খুবই সহজ একটি প্রক্রিয়া, যা এখন ঘরে বসে কয়েক মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করা যায়। প্রথমে আপনার মোবাইলে ইন্সটল করা বিকাশ অ্যাপ টি ওপেন করতে হবে। অ্যাপটি চালু করার পর সেখানে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন বা রেজিস্ট্রেশন নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেই অপশনে ক্লিক করলে আপনাকে আপনার সচল মোবাইল নাম্বারটি দিতে বলা হবে। মোবাইল নাম্বার দেওয়ার পর বিকাশ থেকে একটি ভেরিফিকেশন কোড আপনার ফোনে পাঠানো হবে, যা দিয়ে আপনার নম্বরটি নিশ্চিত করা হয়।
ঘরে-বসে-মোবাইল-দিয়ে-বিকাশ-একাউন্ট-খোলার-টিপস

এরপর ধাপে ধাপে আপনাকে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হবে, যেমন আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী নাম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য। অনেক সময় এনআইডি কার্ডের ছবি তুলে আপলোড করতেও বলা হয়, যাতে আপনার সঠিক পরিচয় যাচাই করা যায়। এই তথ্যগুলো ঠিকভাবে পূরণ করার পর বিকাশ অ্যাপ এর নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করতে হবে। এভাবে খুব সহজ ভাবে বিকাশ অ্যাপ এ নতুন অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন শুরু করা যায় এবং পরবর্তী ধাপ গুলো অনুসরণ করে অ্যাকাউন্টি সম্পন্ন হবে চালু করা সম্ভব।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা

মোবাইল নাম্বার দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা খুবই সহজ একটি প্রক্রিয়া, যা এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন করা যায়। বিকাশ অ্যাপ এ নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার সময় প্রথম ধাপ হিসেবে একটি সচল মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করতে হবে। কারণ এই মোবাইল নাম্বারটি পরে আপনার বিকাশ একাউন্ট এর মূল পরিচয় হিসেবে কাজ করবে। তাই সবসময় নিজের ব্যবহৃত এবং সচল মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে সবচেয়ে ভালো

মোবাইল নাম্বার দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য প্রথমে বিকাশ অ্যাপ টি ওপেন করতে হবে। এবং সেখানে নতুন অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন অপশনে যেতে হবে। এরপর আপনার মোবাইল নাম্বারটি সঠিকভাবে লিখে সাবমিট করলে বিকাশ থেকে একটি ওটিপি কোড আপনার ফোনে পাঠানো হবে। সেই কোডটি অ্যাপে বসিয়ে নাম্বারটি ভেরিফাই করতে হবে। সম্পূর্ণ হলে আপনার মোবাইল নাম্বারটি বিকাশ একাউন্টের জন্য নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

এরপর আগের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য প্রদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। সব তথ্য সঠিকভাবে যাচাই হয়ে গেলে আপনার বিকাশ একাউন্টে চালু হয়ে যাবে এবং সেই মোবাইল নাম্বার দেই আপনি ভবিষ্যতে বিকাশে লগইন করতে পারবেন। এভাবে খুব সহজে মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে বিকাশ একাউন্ট খোলা সম্ভব।

আরো পড়ুনঃ

NID দিয়ে বিকাশ একাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি

এনআইডি দিয়ে বিকাশ একাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি অ্যাকাউন্ট চালুর একটি অপরিহার্য ধাপ। বিকাশের নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পরিচয় পত্রের এনআইডি ব্যবহার করা হয়। সঠিকভাবে সম্পূর্ণ করলে আপনার অ্যাকাউন্ট নিরাপদ থাকবে এবং কোন প্রকার সমস্যা হবে না এবং হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ভবিষ্যতের লেনদেনের সময়ও কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না

এনআইডি দিয়ে বিকাশ একাউন্ট ভেরিফিকেশন করার জন্য প্রথমে বিকাশ অ্যাপে লগইন করতে হবে। এবং ভেরিফিকেশন অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর আপনাকে এনআইডি এর নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দেওয়ার জন্য বলা  হবে। হবে অনেক সময় অ্যাপের মাধ্যমে এনআইডি কার্ডের ছবি তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়, যাতে বাস্তব সময়ের পরিচয় যাচাই করা যায়। এই ধাপগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করলে কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনার এন আই ডি ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে এবং বিকাশ একাউন্ট সম্পূর্ণভাবে চালু হয়ে যাবে।

নিজের ছবি তুলে বিকাশ একাউন্ট নিশ্চিত করা

ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার টিপস গুলোর মধ্যে একটি টিপস হলো নিজের ছবি তুলে বিকাশ একাউন্ট নিশ্চিত করা। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যা বিকাশে নিরাপদ ভাবে লেনদেন করতে সাহায্য করে। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় শুধু মোবাইল নাম্বার এবং এন আই ডি ভেরিফিকেশনে যথেষ্ট নয়, ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় যাচাই করার জন্য নিজের ছবি তুলেছে এটি বিকাশ অ্যাপ এ ডাউনলোড করতে হয়। এটি নিশ্চিত করে যে একাউন্টটি প্রকৃত ব্যবহারকারীর নামে খোলা হয়েছে এবং অন্য কেউ আপনার পরিচয় ব্যবহার করতে পারবে না।

ছবি তোলার সময় অবশ্যই পরিস্কার সঠিকভাবে নিজের মুখ ফুটে উঠতে হবে। কিভাবে ক্যামেরা ধরে সঠিক ছবি তুলতে হয়। ছবি তোলার সময় যথাযথ আলো থাকা জরুরী, যাতে আপনার মুখ পরিষ্কার দেখা যায়। এছাড়াও ছবি তোলার সময় অন্য কোন ব্যক্তি বা বস্তু যেন ছবিতে না থাকে, তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ ।

ছবি আপলোড করার পর বিকাশ অ্যাপ সক্রিয়ভাবে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করে। কয়েক মিনিটের মধ্যে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে আপনার বিকাশ একাউন্ট নিশ্চিত হয় এবং একাউন্ট চালু করার জন্য প্রস্তুত থাকে। এই ধাপটি সম্পন্ন করার পর আপনি ঘরে বসেই বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানো, বিল পরিষদ এবং অন্যান্য লেনদেন করতে পারবেন।

বিকাশ একাউন্টে পিন সেট করার সহজ নিয়ম

বিকাশ একাউন্টে পিন সেট করার সহজ নিয়ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই তিনি আপনার একাউন্টে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। একাউন্ট খোলার প্রাথমিক ধাপ গুলো সম্পন্ন করার পর আপনাকে একটি চার বা পাঁচ সংখ্যার পিন সেট করতে বলা হবে। এই তিনটি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে আপনার বিকাশ একাউন্টে লগইন করা এবং লেনদেন সম্পূর্ণ করা হবে। তাই সব সময় এমন একটি পেইন নির্বাচন করা উচিত যা সহজে মনে থাকে, কিন্তু অন্য কেউ অনুমান করতে পারবে না।

পিন সেট করার জন্য প্রথমে বিকাশ অ্যাপ ওপেন করুন এবং পিন সেট করুন বা সেট এমপিআইএন অপশনটি নির্বাচন করুন। এরপর আপনার নির্বাচিত সংখ্যার পিন লিখুন এবং নিশ্চিত করার জন্য পুনরায় একই পিন দিয়ে ভেরিফাই করুন। একবার প্রিন্ট সফল হবে সেটআপ হয়ে গেলে, আপনার বিকাশ একাউন্ট সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ হয়ে যায় এবং আপনি ঘরে বসে যে কোন লেনদেন করতে পারবেন। সংরক্ষণের সময় অবশ্যই এটি কারো সাথে শেয়ার করবেন না এবং কখনো লিখে রাখবেন না। নিরাপদ পিন ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার বিকাশ একাউন্ট সবসময় সুরক্ষিত থাকে।

বিকাশ একাউন্ট চালু হয়েছে কিনা যেভাবে দেখা যাবে

ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার পর সে বিকাশ অ্যাকাউন্ট চালু হয়েছে কিনা সেটা যেভাবে দেখা যাবে তার  ধাপ এখানে বলা হয়েছে। বিকাশ একাউন্ট চালু হয়েছে কিনা যেভাবে দেখা যাবে তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নিশ্চয়ই খাওয়া যায় যা আপনার অ্যাকাউন্ট সার্টিফিকেট খোলা হয়েছে এবং ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত। একাউন্ট খোলার সময় হাত যেমন মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন, এনআইডি যাচাই এবং পিন সেট করা সম্পন্ন হওয়ার পরে এটি সহজে যাচাই করা যায়। একবার সব ধাপ ঠিকভাবে সম্পূর্ণ হলে আপনার বিকাশ অ্যাপ এ লগইন করলে মূল ্ড ড্যাশবোর্ড বা হোমপেজে আপনার একাউন্টের নাম, ব্যালেন্স এবং অন্যান্য তথ্য দেখা যাবে। এটা প্রথম নিশ্চয়তা দেয় যে আপনার একাউন্ট সঠিকভাবে চালু হয়েছে আপনার অ্যাকাউন্ট সঠিকভাবে চালু হয়েছে।
ঘরে-বসে-মোবাইল-দিয়ে-বিকাশ-একাউন্ট-খোলার-টিপস

দ্বিতীয় ভাবে, বিকাশ অ্যাপের একাউন্ট স্ট্যাটাস অপশন ব্যবহার করে আরো নিশ্চিত হওয়া যায়। এখানে সাধারণত Active বা Successfully Registered লেখা থাকে, যা বোঝায় যা আপনার অ্যাকাউন্ট সম্পন্ন ভাবে কার্যকর। এই স্ট্যাটাস দেখে বোঝা যায় যে একাউন্ট খোলা হয়েছে এবং এখন লেনদেনের জন্য প্রস্তুত।

তৃতীয়ত, আপনি চাইলে একটি ছোট লেনদেন বা ব্যালেন্স চেক করে নিজের একাউন্ট কার্যকর কিনা যাচাই করতে পারেন। যদি আপনার ট্রানজেকশন সফল হয় এবং ব্যালেন্স দেখাই, তাহলে বুঝতে হবে অ্যাকাউন্ট সম্পন্ন হবে চালু এবং ব্যবহারযোগ্য। এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে ঘরে বসে খুব সহজে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আপনার বিকাশ একাউন্ট পুরোপুরি সক্রিয়।

আরো পড়ুন:

শেষ কথাঃ ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার টিপস

ঘরে বসে মোবাইলটা বিকাশ একাউন্ট খোলা এখন অনেক সহজ ও নিরাপদ। প্রথমে আপনার একটি সচল মোবাইল নাম্বার, স্মার্ট ফোন এবং এনআইডি প্রস্তুত রাখা জরুরী। এরপর বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করে নতুন অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন শুরু করতে হয়। মোবাইল নাম্বার দিয়ে ভেরিফিকেশন এবং এনআইডি তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করা হয়।

একাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিজের পরিষ্কার ছবি তুলে আপলোড করতে হয় এবং একটি শক্ত পিন সেটআপ করা আবশ্যক সব ধাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে আপনার অ্যাকাউন্টটি চালু হয়ে যাবে। শেষে বিকাশ অ্যাপের ড্যাশবোর্ড বা অ্যাকাউন্ট স্ট্যাটাস চেক করলে নিশ্চিত হওয়া যায় যে একাউন্টে সম্পূর্ণ কার্যকর।

পরিশেষে যদি বলি ওপরের যে ধাপগুলোর কথা বলা হয়েছে তা ধাপে ধাপে যদি অনুসরণ করা হয় তাহলে খুব সহজেই ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা সহজ হয় এবং নিরাপদ হয়। এটি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সম্পন্ন একটি সুন্দর গাইডের মত, যাতে তারা ঝামেলা ছাড়াই ডিজিটাল শুরু করতে পারে। শুধু নতুন ব্যবহারকারী না পুরাতন ব্যবহারকারীরাও এই ধাপগুলো সুন্দর করে অনুসরণ করে আবার বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারেন ঘরে বসে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url