ব্লগ মনিটাইজেশনের দশটি কার্যকরী গোপনীয় টিপস

 

ব্লক মনিটাইজেশন এর বর্তমান সময়ে অনলাইন আর একটি বাস্তব দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি সঠিক পরিকল্পনার ধৈর্য এবং নিয়মিত কন্টেন্ট থাকলে ব্লক থেকে প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট পরিমাণের আয় করা সম্ভব

ব্লক-মনিটাইজেশনের-দশটি-কার্যকরী-গোপনীয়-টিপস

এই গাইডে ধাপে ধাপে ব্লক মনিটাইজেশন করারপ্রমাণিত কৌশল তুলে ধরা হয়েছে নতুন ও অভিজ্ঞ ব্লগার দুজনের জন্য কার্যকর হবে

পেজ সূচিপত্রঃ ব্লগ মনিটাইজেশন


ব্লক মনিটাইজেশন কি ও কেন জরুরী

ব্লক মনিটাইজেশন বলতে ব্লগের মাধ্যমে নিয়মিত আয় করাকে বোঝাই শুধুমাত্র লেখা প্রকাশ করলে আয় আসে না আয় করার জন্য নিয়মিত লেখা প্রকাশ করতে হয় এবং সঠিক মনিটাইজেশন মডেল প্রয়োগ করলে ব্লকটি ইনকাম সোর্সে পরিণত হয় 

বর্তমানে ডিজিটাল যুগে ব্লক মনিটাইজেশন জরুরী ইনকামের সুযোগ করে দেয় চাকরি বা অন্যান্য পেশার পাশাপাশি এটি একটি ভাল ইনকাম সোর্স হয়ে থাকতে পারে আর এই কারণে ব্লক মনিটাইজেশন 

সঠিক নিস নির্বাচন কৌশল

ব্লক মনিটাইজেশনের প্রথম ধাপ হলো সঠিক নিচ নির্বাচন করা অনেকেই নিজ বলতে জানেনা নিচ হলো নির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্র বা বিষয়টি বোঝানো হয়েছে অর্থাৎ আপনি ব্লগে কোন বিষয় নিয়ে লেখালেখি বা কাজ করতে চান সেটা আগে বেছে নিতে হবে 

কেউ শিক্ষা স্বাস্থ্য আর প্রযুক্তি এই বিষয়গুলোর মধ্যে যেকোনো একটা বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাই এক্ষেত্রে যে নিচে মানুষের আগ্রহ এবং সার্চ বেশি সেই নিচ বেশি নেওয়া উচিত নিজের আগ্রহ ও জ্ঞানের পরিধির সাথে বেছে নিলে এটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য নিরাপদ হবে

মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির নিয়ম

কনটেন্টি ব্লক মনিটাইজেশনের মূল ভিত্তি মানসম্মত কনটেন্ট না হলে মনিটাইজেশন পাওয়া সহজ হয় না আর মানসম্মত কনটেন্ট হওয়ার কয়েকটি রুলস রয়েছে তার মধ্যে প্রথম লেখক রুজি হল লেখা কপি করা যাবে না তখন সেটা কপিরাইট হিসেবে গণ্য হবে 

এছাড়া কন্টেন্টের ভিতর অযৌক্তিক লেখা দিয়ে করা যাবে না এক্ষেত্রে আয় সম্ভব না মানসম্মত কনটেন্ট হলে প্রতিটি পোস্টের মধ্যে সমস্যা সমাধান বাস্তব উদাহরণ ও সহজ ভাষা দিতে হবে যেন পাঠক সহজে বুঝতে পারে

আরো পড়ুনঃ1

Google Adsense দিয়ে আয়

Google Adsense ব্লক মনিটাইজেশনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ব্লগে ভিজিটর এলে তাদের জন্য প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন দেখানো হয় গুগল এডসেন্স হল ওয়েবসাইট ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেলের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম

ব্লক-মনিটাইজেশনের-দশটি-কার্যকরী-গোপনীয়-টিপস

অনুমোদনের পর বিজ্ঞাপন থেকে প্রতিদিনের কনটেন্ট ভিউবা ক্লিকের ওপর ভিত্তি করে আয় সরাসরি গুগল এডসেন্স একাউন্টে যুক্ত করে

স্পনসর্ড পোস্ট আয়ের উপায়

স্পন্সার্ট হলো সোশ্যাল মিডিয়া বা ব্লগে কোন ব্র্যান্ডের পণ্য বা সেবার প্রচার করে অর্থ উপার্জনের একটি জনপ্রিয় উপায় আর এর মাধ্যমে ইনফ্লুয়েন্সার বা কন্টেন্কারের তাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম যেমন facebook ইনস্টাগ্রাম ইউটিউব পেইড কন্টেন্ট শেয়ার করে নির্দিষ্ট ফিপান


আপনার ব্লক এর জনপ্রিয়তা বাড়লে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট কনসার্ট প্রেমেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করবে একটি স্পনসর্ড পোষ্টের জন্য২০০০০-২০২০০০ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন

ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি

ডিজিটাল পণ্য যেমন ই-বুক সফটওয়্যার কোর্স কেমপ্লেট বিক্রি একটি অত্যন্ত লাভজনক ও কম খরচের অনলাইন ব্যবসা একবার তৈরি করে বারবার বিক্রি করা যায় বলে এতে কোন ইনভেন্টর খরচ নেই কিছু জনপ্রিয় ডিজিটাল পণ্য রয়েছে যেমন ইবুক ও গাইড অনলাইন কোর্স ভিডিও সফটওয়্যার অ্যাপস ডিজিটাল টেমপ্লেট এগুলো ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করেও ব্লক মনিটাইজেশন করা যায় 

তবে কিছু সতর্কতা রয়েছে অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করলে জরিমানা বিধান রয়েছে তাই সঠিক তথ্য ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করার জরুরী

ইমেইল মার্কেটিং ব্যবহার

ইমেইন মার্কেটিং হল কাস্টমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগের একটি সাশ্রয় ডিসকার মাধ্যম যার মাধ্যমে নতুন কাস্টমার আকর্ষণ পূর্ণ প্রচার এবং বিশ্বস্ততা বৃদ্ধি করে বিক্রয় বাড়ানো হয় এটি মূলত নিউজ লেটার প্রমোশনাল অফার বা অয়েল কল ইমেইল পাঠানোর মাধ্যমে ব্র্যান্ড সচেতনতা তৈরি এবং পার্সোনালিস্ট বার্তা দেওয়ার কাজ করে 

আর এটিতে কাজ শুরু করার কিছু পদ্ধতির রয়েছে যেমন প্রথমে একটি ইমেইল তালিকা করতে হবে সঠিক ইমেইল মার্কেটিং টুল যেমন মেইল টিম গেট রেসপন্স বেছে নিতে হবে এবং ভ্যালুয়েবল সহ নিয়মিত ইমেইল পাঠাতে হবে

আরো পড়ুনঃ2

ট্রাফিক বাড়ানোর পদ্ধতি

ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর বাস্তব কৌশল হলো নিয়মিত মানসম্মত কন্টেন তৈরি অন পেজ ও টেকনিক্যাল অপটিমাইজেশন সোশ্যাল মিডিয়ার সড়ক উপস্থিতি গেস্ট পোস্টিং এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পেইড advertising ব্যবহার করতে হবে এছাড়া কি ওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্ষেত্রে লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে টার্গেট ডিজিটর আনতে সাহায্য করে 

এছাড়া মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করতে হবে পুরনো লেখা কন্টেনগুলো আপডেট করতে হবে নতুন তথ্য দিয়ে কনটেন্ট আপডেট করতে হবে এছাড়া ট্রাফিক বিশ্লেষনের জন্য লাইটিক্স ব্যবহার করতে হবে এবং কোন কৌশলটি আপনার সাইটের জন্য ভালো কাজ করে তা যাচাই-বাছাই করে বেছে নিতে হবে

SEO দিয়ে আয় বৃদ্ধি

হলো চার্জ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আর এশিয়ার মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক পাড়িয়ে আয় বৃদ্ধি করা অত্যন্ত কার্যকরী ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগে এডসেন্স অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং স্পনসর্ড কন্টেন্ট বা ডিজিটাল পণ্য বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারেন এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং aco কনসাল্টিং বা ওয়েবসাইট ট্র্যাঙ্ক এন্ড রেন্ট করেও আয় করা সম্ভব 

ব্লক-মনিটাইজেশনের-দশটি-কার্যকরী-গোপনীয়-টিপস

এসীয় মূলত তিন প্রকার অন পেজ অফ পেজ টেকনিক্যাল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট নিশ্চিত করতে হবে এবং ব্যাডলিংক তৈরির দিকে মনোযোগ দিতে হবে তাহলে এসইওতে আয় বৃদ্ধি করা যাবে এবং ব্লকটি মনিটাইজেশন করা সহজ হবে

আয় ধরে রাখার স্ট্র্যাটিজি

আয় ধরে রাখার বা উপার্জিত অর্থ সুরক্ষিত করার প্রধান কৌশল হলো সুপরিকল্পিত বাজেট অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো সঞ্জয় বৃদ্ধি এবং সঠিক বিনিয়োগ ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক আয়ের একটি অংশ আলাদা করে সঞ্চয় একাউন্ট ডিপিএস বা সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগ করা এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক খরচ আলাদা রাখলে আর্থিক সচেতনতা বজায় থাকে এছাড়া জমিয়ে না রেখে এফ ডি আর সঞ্জয় পত্র বা জমি ও শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা 

যা থেকে ভবিষ্যতে আয় আসবে এছাড়া ব্যবসার ক্ষেত্রে আই ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা একাউন্টিং সফটওয়্যার ব্যবহার করা এবং ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক টাকা আলাদা রাখা এছাড়া যদি ঝুঁকি কম নিতে চান তবে সরকারি সঞ্চয়পত্র বা নিরাপদে ফিক্সড ডিপোজিট বা এফটিআর টাকা রাখা বুদ্ধিমানের কাজ

নতুনদের সাধারণ ভুল সমূহ

নতুনদের সাধারণত শেখা শুরুতে আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং পর্যাপ্তের প্রস্তুতির আগে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায় এর ফলে দ্রুত বড় লস বা ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে শেয়ার বাজার বা ব্যবসার ক্ষেত্রে ইমোশনাল ট্রেডিং অপর্যাপ্ত জ্ঞান ও গবেষণা না করে বিনিয়োগ করা এবং স্টপ লস ব্যবহার না করা প্রধান ভুল নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বিনিয়োগ করছে তার সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনে সিদ্ধান্ত নেয় এতে করে নানান ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সমস্যা হতে পারে আর 

আমার মনে হয় এ ভুল করে এড়িয়ে চলতে ধৈর্য পড়াশোনা এবং ছোট ঝুঁকি নিয়ে শুরু করা উচিত আর নতুন কিছু শেখার শুরুতে ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক তবে সচেতন থাকলে ভুলগুলো এড়িয়ে চলা যাবে যেমন তাত্ত্বিক জ্ঞানে বেশি সময় দিতে হবে একসাথে অনেক কিছু করার চেষ্টা করতে হবে ধৈর্য হারানো যাবে না ভুল সিদ্ধান্ত বা গাইড এর অভাবে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের ভুল হয়ে থাকে তাই কোন কাজ শুরু করার আগে এই বিষয়গুলো নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে

আরো পড়ুনঃ3

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পদ্ধতি

অ্যাফিলিয়েট কথাটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত নই। অ্যাফিলিয়েট  মানে হল এটি এমন একটি অনলাইন ব্যবসা মডেল, যেখানে আপনি যদি কোন কোম্পানি বা পণ্যের প্রচারণা করেন এক্ষেত্রে আপনার  প্রচারণায় যদি কেউ কোন পণ্য কিনে সে ক্ষেত্রে আপনি প্রফিট পাবেন। 

আর এই প্রচার আপনি YouTube  চ্যানেল Facebook Page, Blog পোস্ট কিংবা ইমেইলের মাধ্যমে করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি যে কোম্পানির হয়ে কাজ করবেন তারা আপনাকে একটা লিংক দিবে এবং যারা পণ্য কিনতে আগ্রহী তারা এই লিংকে ক্লিক করে পণ্য কিনবেন।





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url