প্রতি সপ্তাহে আয় করা এখন বিলাসিতা নয়, এটি অনেকের জন্য এখন বাস্তব সুযোগ। এখন
সবার কাছে প্রতি সপ্তাহে ঘরে বসে আয় করা কোন ব্যাপারই না, সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন
করে প্রতি সপ্তাহে ৪০০০ হাজার টাকার বেশি আয় করা সম্ভব।
এই পোস্টে খুব সহজ পদ্ধতিতে সাপ্তাহিক আয়ের উপায় খুব সুন্দর করে তুলে ধরা
হয়েছে, যা নতুনদের জন্য ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
প্রতি সপ্তাহে চার হাজার টাকা পর্যন্ত আয় বলতে বোঝায়, নিয়মিত ছোট ছোট কিছু
করে আয় করা। একবারে বড় কিছু নয় এটি ছোট কিন্তু, আয়ের একটি লক্ষ্য এটি
একদিনেই যে বড় অংকের টাকা হবে তা না এটি ধীরে ধীরে ধারাবাহিক একটি
প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে শুরুতে আয় কম হলে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আমাদের কাজ
করার একটি বড় উৎস হলো ধর্য্য, যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরে কাজ করতে পারবে তার কাছে
যে কোন কাজে সহজ হয়ে যাবে।
আর এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিকল্পনা এবং
দক্ষতা অর্জন। দক্ষতা অনুযায়ী কাজ বেছে নেওয়া এবং প্রতিদিন সে দক্ষতা
অনুযায়ী চর্চা করা। দক্ষতা অনুযায়ী কাজ বেছে নিলে আয় করা সহজ হয়। তাই
সবার উচিত দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করা।
অনলাইনে আয় শুরু করার আগে অবশ্যই অনলাইন সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। কোন
প্লাটফর্মে কাজ করলে নিজেরদের জন্য ভালো হবে সেই প্ল্যাটফর্ম বেছে নিতে হবে
। অবশ্যই সেটা নিজের দক্ষতা অনুযায়ী, এজন্য অবশ্যই কম্পিউটার, ল্যাপটপ
,মোবাইল ফোন হাতে রাখতে হবে। এছাড়া ভালো ইন্টারনেট ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভালো হলে যে কোন কাজে সহজ হবে করা যাবে।
এক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হলো আগ্রহ ও ধৈর্য ।যে কাজে আগ্রহ থাকবে
সে কাজ অবশ্যই দক্ষতা ও ধৈর্যের সাথে সম্পাদন করতে হবে ।তাহলে একটা কাঙ্ক্ষিত ফল
পাওয়া যাবে ।তাই সব সময় ধৈর্যের সাথে কাজ করতে হবে আর যে যে বিষয়ে দক্ষ
সে বিষয়ে কাজ করা উচিত তাহলে তার জন্য সে কাজটা আরও সহজ হয়ে ওঠে।
মোবাইল ফোনকে কাজে লাগানোর উপায়
বর্তমানে মোবাইল ফোন মানে শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয় বরং আয়ের একটি
শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে ।মোবাইল ব্যবহার করে প্রতি সপ্তাহে ৪০০০ টাকা বা তার
বেশি আয়ের বাস্তব কিছু উপায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম উপায় হল কন্টেন রাইটিং ও
কপিরাইটিং এগুলো বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে করা যায়। যেরকম গুগল docs
ব্যবহার করে শেয়ার করা সহজ হয় ।আমরা অনেক সময় মোবাইল ফোন শুধু বিনোদনের মাধ্যম
হিসেবে দেখি কিন্তু এটি দিয়ে সপ্তাহে টাকা ইনকাম করা যাবে।
এছাড়া বিভিন্ন অ্যাপ রয়েছে যেমন tiktok এগুলা ব্যবহার করে ভিডিও এডিট করে
সেগুলো থেকেও টাকা ইনকাম করা যায়। সহজ কথায় বলা যায় যে, মোবাইল ফোন শুধু
বিনোদনের মাধ্যম নয় কিংবা সময় নষ্ট করার মাধ্যম নয়, মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও
সপ্তাহে অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব। এজন্য আমাদের অবশ্যই এই কিভাবে আয় করব
সে সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে এছাড়া, বিভিন্ন ব্লগ বানিয়ে সেগুলা ইউটিউবে
ছেড়ে দিলে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়।
কনটেন্ট লিখে নিয়মিত আয়
বর্তমান যুগে স্মার্টফোন হাতে থাকলে ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন লেখালেখির কাজ করা
যায়। আর এই ছবি, ভিডিও, কনটেন্ট ফেসবুক পেজে কিংবা ইউটিউবে দিলে আয় করা যায়।
আর তার জন্য কোন অফিস বা দামি যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় । আর যারা ভালো
মানের কন্টেন্ট লিখতে পারে তারা প্রতি সপ্তাহে শুধু ৪০০০ হাজার টাকা নয়
এর থেকেও বেশি টাকা ইনকাম করার সুযোগ থাকে, তাই ভালো মানের কনটেন্ট লেখার
প্র্যাকটিস করতে হবে কনটেন্ট লেখার কিছু রুলস রয়েছে আর এই রুলস গুলো
অবলম্বন করে কনটেন্ট লিখলে লেখার মান আরো অনেক মানসম্মত হয়।
আর এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল রেগুলার ভালো মানের কনটেন্ট পাবলিশ
করা যেমন নিজের লাইফ স্টাইল, রান্নাবান্নার ভিডিও, ট্রাভেলিং ভিডিও ইত্যাদি
কন্টেন্ট তৈরি করা যায়। আর এগুলা যদি ভাল মানের হয় তাহলে ফোন
দিয়েই দীর্ঘমেয়াদ আয় করা সম্ভব। এখন ডিজিটাল যুগে এসে কেউ
ঘরে বসে থাকে না সবাই কোন না কোন কাজ করে মাসে অনেক টাকা ইনকাম করে।
ফোন দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কাজ
বর্তমানে সবাই মনে করে ফ্রিল্যান্সিং মানেই হয়তো কম্পিউটার, ল্যাপটপ কিন্তু
এটা পুরোপুরি সঠিক নয়। একটা স্মার্টফোন হাতে থাকলে ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে
প্রায় সব কাজই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করা যায়। এখন স্মার্ট ফোন হাতে থাকলেই
পুরো পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় মনে হয় ।স্মার্টফোন থাকলে কোন কাজই অসম্ভব নয় এর
সঠিক ব্যবহার জানলে যে কোন কাজ করে সপ্তাহে ৪০০০ টাকা ইনকাম করা যাবে।
ফ্রিল্যান্সিং করে মানুষ মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে এ জন্য থাকতে হবে ভালো
দক্ষতা।
মোবাইল ফোন দিয়ে কন্টেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদির মত কাজ করা
যায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে জব খোঁজার অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। যেমনঃ
ফাইবার, upwork ইত্যাদি অ্যাকাউন্ট খুলে কাজ খুঁজে পাওয়া যায়, আর এটা মোবাইল
ফোনের মাধ্যমেও খোলা যায়। ধৈর্য ও ইচ্ছা শক্তি থাকলে ছোট জিনিস দিয়েও অনেক
ভালো কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সিংয়ের অনেকগুলা প্লাটফর্ম রয়েছে যে যেদিকে
দক্ষ তার সেদিকে যাওয়া উচিত।
অনলাইন টিউশন করে সাপ্তাহিক আয়
বর্তমানে অনেকে অনলাইনে বিভিন্ন কোচিং ও প্রাইভেট দিচ্ছে ।এক্ষেত্রে একটা
নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কোন কোন বিষয়ে
পড়াতে চান, পড়ানোর পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে
পারেন। ফোন ঘরে বসে ট্র্যাফিক জ্যাম কিংবা দূরত্ব টেপ এড়িয়ে মোবাইল ফোন বা
ল্যাপটপের মাধ্যমে কোচিং সেন্টার গুলাতে প্রাইভেট পড়ানো যাই এতে করে
শিক্ষার্থীদেরও সময় বেঁচে যায় এবং শিক্ষকেরও সময় বেঁচে যাই।
এছাড়া ফেসবুক, ইউটিউ্ ইনস্টাগ্রামে নিজের পড়ানোর কিছু ভিডিও
আপলোড করে প্রচারণা করতে পারেন। বাইরের দেশে বসে থেকেও এখন নিজের দেশে
শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পড়ানো যায়। এক্ষেত্রে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে
পেমেন্ট নিতে পার। অনলাইনে পড়ানোর জন্য বিভিন্ন জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম রয়েছে
যেমনঃUdemy,Tutor.com,Vipkid. আর যে যে বিষয়ে দক্ষ তাকে সে বিষয়ে পড়ানো
উচিত এতে করে শিক্ষার্থীর জন্য বুঝতে ভালো হয় এবং সেও ভালো করে পড়াতে
পারে।
আরো পড়ুনঃ
ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আয়
বর্তমান সময়ে ফেসবুক শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম নয় বরং আয়ের একটি
শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে ।২০২৬ সালের বর্তমানে প্রেক্ষাপটে
ফেসবুক থেকে প্রতি সপ্তাহে ৪০০০ টাকা কিংবা এর থেকে বেশি টাকা ইনকাম করা যায।
আর এটি শুধু সপ্তাহে না মাসে এর থেকেও বেশি টাকা ইনকাম করা যায়, অনেকে ফেসবুক
পেইজে নিজেদের বিভিন্ন দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন ভিডিও কিংবা কনটেন্ট প্রকাশ
কর্ এর মধ্যে রয়েছে রান্নার ভিডিও মেকআপ ভিডিও এছাড়া বিভিন্ন ব্লগিং ভিডিও
আর এগুলা ভিডিও আপলোড করার পর ফেসবুকে যখন মনিটাইজেশন পায় সেক্ষেত্রে আয়
করা কোন বিষয় হয়ে ওঠে না।
আর মনিটাইজেশন পাওয়ার কিছু উপায় রয়েছে যেমন রান্নার ভিডিও ,ফানি ভিডিও বা
শিক্ষামূলক কোন ভিডিও নিয়মিত আপলোড করা এতে করে মনিটাইজেশন পাওয়া অনেক সহজ
হয়ে ওঠে। তাই নতুনদের জন্য বিশেষ করে যারা নতুন ফেসবুক ইউজার
তারা facebook শুধু যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে না বানিয়ে টাকা আয় করার
মাধ্যম বানানো উচিত ।আর এই ফেসবুক বর্তমান যুগে গৃহিণী এবং বেকারদের আয় করার
একটি বড় প্ল্যাটফর্ম তাই এই facebook কাজে লাগানো উচিত আয় করার
জন্য।
ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রির সুযোগ
বর্তমান যুগে ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করেও আয় করা যায় ।তবে প্রথমে জানা
উচিত যে ডিজিটাল প্রোডাক্ট গুলো কি? সহজ কথায় বলা চলে ডিজিটাল প্রোডাক্ট হলো
এমন সব পণ্য যেগুলো ছোঁয়া যায় না, ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেনাবেচা করা যায় এবং
কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনে ব্যবহার করা যায় ।এর সব থেকে বড় সুবিধা হচ্ছে
এটি একবার তৈরি করলে বারবার তৈরি করতে হয় না। এর কিছু উদাহরণ রয়েছে
যেমনঃ প্রথমে যদি ই বুকের কথায় আসি তাহলে এটি হলো কোন বিষয়ের উপর লেখা
পিডিএফ ফাইল যেমন 10 দিনের ফ্রিল্যান্সিং শিখুন বা কোন রান্না বিষয়ে
রেসিপি এই টাইপ বই বিক্রি করা যায়।
এরপর যদি অনলাইন কোর্সের কথা বলি তাহলে এটি হলো ইংরেজি শিক্ষার কোর্স বা
গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ভিডিও এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষামূলক
ভিডিও গুলো রয়েছে যেগুলো হয়তো আমরা সচরাচর পাই না কিন্তু অনলাইনে সার্চ করলে
এই ভিডিওগুলো সম্পর্কে তথ্য জানতে পারি ।আর টেমপ্লেট হল Canva, Ideogram ও
বিভিন্ন AI টুলস রয়েছে যেগুলো থেকে বিভিন্ন টেম্পলেট, ফেভিকন, লোগো ইত্যাদি
বানানো যায় এবং সেগুলা ডিজিটাল মাধ্যমে বিক্রি করা যায়।
অনলাইনে ছোট ব্যবসা
বর্তমান সময়ে অনলাইনে কিছু ছোট ছোট ব্যবসা করে সপ্তাহে, মাসে কিংবা বছরে অনেক
টাকা ইনকাম করা যায়। এক্ষেত্রে খুব বেশি বড় পুঁজির হয় না অল্প কিছু পুঁজি
নিয়ে ব্যবসা শুরু করা যায়। বর্তমান সময়ে আমরা দেখি বিশেষ করে স্টুডেন্টরা
কিংবা গৃহিণীরা অল্প কিছু পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করে।অন্তত নিজের হাত খরচ
চালানোর জন্য। আর এই ছোট ছোট ব্যবসাগুলো একসময় অনেক বড় ব্যবসা হয়ে ওঠে। এর
মধ্যে স্টুডেন্টরা বিশেষ করে মেয়েদের কথা যদি বলি তাহলে তারা বিভিন্ন জামা
কাপড়ের ব্যবসা শুরু করতে পারে খুব অল্প পুঁজি নিয়ে ,এছাড়া হাতের কাজের
জামা কাপড় তৈরি করতে পারে।
এছাড়া ব্লক প্রিন্ট, তারপর বিভিন্ন ধরনের জুয়েলারি ,নিজের হাতে বানানো
জুয়েলারি, এছাড়া বিভিন্ন প্রকারের খাবার বানিয়ে সেগুলো অনলাইনের মাধ্যমে
কিংবা হোম ডেলিভারি করে সপ্তাহে ইনকাম করতে পারে। এটা তাদের জন্য একটি বড়
অনলাইন ব্যবসা করার উপায় ।এছাড়া অনেক গৃহিণী রয়েছে যারা কাজের সুযোগ পায় না
,এজন্য তারা ঘরে বসে বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট অনলাইন ব্যবসা করতে পারে ।তাই বলা
চলে যে অনলাইনে ছোট ব্যবসা করেও সপ্তাহে ৪০০০ টাকা কিংবা তার বেশি টাকা আয় করা
সম্ভব।
সাপ্তাহিক আয় এর তুলনামূলক চিত্র
আইয়ের পদ্ধতি
সময় বেয়
দক্ষতা
সম্ভাব্ব সাপ্তাহিক আয়
কন্টেন্ট তৈরি
মাঝারি
মাঝারি
২০০০ থেকে ৪০০০
ফ্রিল্যান্সিং
বেশি
বেশি
৩০০০ থেকে ৫০০০
অ্যাফিলিয়েট
কম
কম
১৫০০ থেকে ৫০০০
AI ব্যবহার করে আয় বৃদ্ধি
বর্তমান সময় হল AI এর সময়, এই সময় এমন কোন কাজ হয় না যেটাতে AI
ব্যবহার নেই ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা মূলক কাজ ,প্রায় সকল ক্ষেত্রেই
ব্যবহার হয়ে থাকে। AI যেরকম ভালো কাজে ব্যবহার করা যায়, ঠিক সেরকম
অনেক মানুষ খারাপ কাজে ওটা ব্যবহার করে ,কিন্তু আমাদের উচিত এটা ভালো কাজে
ব্যবহার করা। AI পূর্ণরূপ হল Artificilal Intelligence , এর মাধ্যমে অনেক
কঠিন কাজ খুব দ্রুত সময়ে খুব সহজভাবে করা যায় ,এতে করে আমাদের সময়ও অপচয় কম
হয় ,অপচয় কম হয় বলে অনেক বেশি কাজ করা যায় অনেক কম সময়ে ।
বিভিন্ন AI টুল দিয়ে বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করা, ছবি এডিট করা খুব সহজ হয়ে
গিয়েছে। বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও বিভিন্ন AIঅ্যাপ দিয়ে বিভিন্ন
কাজ করা যায়। AI ব্যবহার করে ChatGpt কিংবা বিভিন্ন AI টুল দিয়ে কনটেন্ট
রাইটিং লেখা যায় ,এগুলা দিয়েও সপ্তাহে ৪০০০ টাকার বেশি ইনকাম করা যায়। তবে
এখানে কিছু সতর্কতা রয়েছে ,যেমন কনটেন্ট লেখার ক্ষেত্রে AI থেকে সরাসরি কপি
পেস্ট করা যাবে না, সেখান থেকে ধারণা নিয়ে নিজের ভাষা অনুযায়ী লিখতে হবে
তাহলে লেখাটা সুন্দর হবে।
আরো পড়ুনঃ
নতুনদের জন্য বাস্তব পরামর্শ
বর্তমান যুগে অনেক নতুন প্রজন্ম রয়েছে যারা সপ্তাহে ৪ হাজার টাকা ইনকাম করতে
চায় কিংবা এর থেকে বেশি টাকা ইনকাম করতে চাই। তবে তাদের জন্য কিছু বাস্তব
পরামর্শ হলো যে কোন কাজই অবশ্যই ধৈর্য ও আগ্রহের সাথে করতে হবে
,এক্ষেত্রে অবশ্যই একটা জিনিস লক্ষ্য রাখতে হবে যে সে কোন বিষয়ে বেশি দক্ষ
,অবশ্যই যে বিষয়ে বেশি দক্ষ তাকে সে বিষয়ে কাজ করা উচিত এতে করে সে খুব
অল্প সময়ে অনেক ভালো কাজ করতে পারবে।এছাড়া তাদের উচিত মোবাইল ফোন কিংবা মোবাইল ফোনের বিভিন্ন অ্যাপ শুধু বিনোদনের মাধ্যমে হিসেবে
ব্যবহার না করা বরং এসব অ্যাপ দিয়ে কিভাবে অল্প সময়ের মধ্যে টাকা আয় করা যায়
সেই জিনিস গুলা সার্চ করা ।
যদি ছোট থেকেই এই দক্ষতা গুলো অর্জন করে তাহলে তারা বড় হয়ে অনেক ভালো কিছু
করবে। আর এক্ষেত্রে নতুনদের আরেকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যে তারা কাজের
শুরুতে যদি টাকা আয় করার লক্ষ্য থাকে তাহলে ভবিষ্যতে ভালো টাকা আয় করতে পারবে
না, এই জন্য তাদের শুরুতেই তাদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং ধাপে ধাপে সেই কাজ
করতে হবে তাহলে তাদের ভালো কাজ করার সম্ভাবনা আছে। আর যদি তারা ভালো কাজ করতে
পারে তাহলে ক্লাইন্ট তাদের বিভিন্ন কাজ দিবে। যদি কাজ মানসম্মত না হয় তাহলে
তারা কাজ পাবে না এতে করে টাকা আয়ও করা সম্ভব না।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয়
অ্যাফিলিয়েট কথাটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত নই। অ্যাফিলিয়েট মানে হল এটি এমন একটি অনলাইন ব্যবসা মডেল, যেখানে আপনি যদি কোন
কোম্পানি বা পণ্যের প্রচারণা করেন এক্ষেত্রে আপনার প্রচারণায় যদি
কেউ কোন পণ্য কিনে সে ক্ষেত্রে আপনি প্রফিট পাবেন।
আর এই প্রচার আপনি YouTube চ্যানেল Facebook Page, Blog পোস্ট কিংবা
ইমেইলের মাধ্যমে করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি যে কোম্পানির হয়ে কাজ করবেন
তারা আপনাকে একটা লিংক দিবে এবং যারা পণ্য কিনতে আগ্রহী তারা এই লিংকে
ক্লিক করে পণ্য কিনবেন।
শেষ কথাঃ
আমরা সবাই চাই প্রতি সপ্তাহে আমরা যেন একটা ভালো টাকা আয় করতে পারি। কিন্তু
আমরা এর সঠিক পদ্ধতি জানিনা ,যে কিভাবে,কোন উপায় অবলম্বন করলে প্রতি সপ্তাহে
চার হাজার কিংবা এর থেকে বেশি টাকা আয় করা যায়। উপরে অনেকগুলো পদ্ধতির কথা
বলা হয়েছে ,যে পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে আমরা সপ্তাহে চার হাজার টাকা কিংবা চার
হাজার টাকার বেশি ইনকাম করতে পারব।
আমার মতেঃ
আমি মনে করি ,আমরা যদি ধৈর্য এবং দক্ষতার সাথে নিজেদের কাজ করে থাকি তাহলে
আমাদের জন্য কাজগুলো করা সহজ হবে। একজন মানুষ যদি কোন কাজে সফলতা অর্জন করতে
চায় তাহলে তাকে তার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ বেছে নিতে হবে এবং ধৈর্য অনুযায়ী কাজ
করতে হবে, তাহলে সে সপ্তাহে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবে।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url