সহজ পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি খোলার ১০টি গোপনীয় টিপস

 

সহজ পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি খোলার দশটি গোপনীয় টিপস সম্পর্কে জেনে নিন নতুনদের। জন্য ধাপে ধাপে কিভাবে দ্রুত একটি ফেসবুক আইডি তৈরি করা যায় তা এখানে সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে ।অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে নিরাপদ ভাবে আইডি খোলা ভেরিফিকেশন করা এবং প্রোফাইল সেটআপ করার কৌশল ও তুলে ধরা হয়েছে।

সহজ-পদ্ধতিতে-ফেসবুক-আইডি-খোলার-১০টি-গোপনীয়-টিপস

পাশাপাশি নতুন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস জানতে পারবেন। যারা সহজে ফেসবুক আইডি খুলতে চান তাদের জন্য এই গাইডটি খুবই  কার্যকরী হবে বলে মনে করি ।

পেজ সূচিপত্রঃ সহজ পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি খোলার ১০টি গোপনীয় টিপস

সহজ পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি খোলার ১০টি গোপনীয় টিপস

সহজ পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি খোলার ১০ টি গোপনীয় টিপস আপনাদের কাছে নিএ এসেছি। ফেসবুক ব্যবহার করে আমরা বন্ধু পরিবার ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি ।নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য কখনো কখনো ফেসবুক আইডি খোলা একটু কঠিন মনে হতে পারে ।কিন্তু সঠিক পদ্ধতি জানলে খুব সহজেই নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করা সম্ভব ।।ফেসবুক আইডি খোলার জন্য প্রথমে প্লে স্টোর থেকে ফেসবুক অ্যাপটি ইনস্টল করুন তারপর facebook অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে ক্রিয়েট নিউ একাউন্ট অপশন নির্বাচন করুন ।

তারপর নিজের নাম জন্ম তারিখ মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল এবং একটি নিরাপদ পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন, ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে আইডি নিশ্চিত করার পর আপনার নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে ।তবে নতুন ফেসবুক আইডি ব্যবহার করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার যেমন সঠিক তথ্য ব্যবহার করা প্রোফাইল ছবি ও কভার ছবি যোগ করা ,প্রাইভেট সেটিংস ঠিক রাখা এবং বন্ধু খোঁজা এই গোপনীয় টিপস গুলো অনুসরণ করলে আপনার ফেসবুক আইডি নিরাপদ এবং ব্যবহার করার জন্য আরো কার্যকর হবে।

আরো পড়ুনঃ

ফেসবুক অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের নতুন অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক অ্যাপ বা ওয়েব সাইটে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করা খুব সহজ ।প্রথমে আপনার মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার ফেসবুক অ্যাপ খুলুন অথবা www.facebook.com ওয়েব সাইটে যান সেখানে creat new account বা নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন । এরপর আপনার নাম, জন্মতারিখ ,লিঙ্গ, মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল এবং একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড লিখে দিন সব তথ্য দেওয়ার পর সাইন আপ বা রেজিস্টার বাটনে চাপুন।

এরপর আপনার মোবাইল বা ইমেইল একটি ভেরিফিকেশন কোড যাবে সেই কোডটি ফেসবুকে নির্দিষ্ট স্থানে কনফার্ম করুন ।এটি শেষ ধাপ এখন আপনার নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে ।এরপর আপনি চাইলে প্রোফাইল ছবি, কভার ছবি, যোগ করতে পারেন এবং বন্ধু খুঁজে যোগ করতে পারেন এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে কেউ খুব সহজে নিজের ফেসবুক আইডি খুলতে পারবে এবং একাউন্টে নিরাপদ কার্যকর।

সঠিক নাম জন্ম তারিখ দিয়ে অ্যাকাউন্ট তথ্যপূরণ

ফেসবুক আইডি খোলার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সঠিক নাম, জন্ম তারিখ ,এবং অন্যান্য  ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে একাউন্ট পূরণ করা। আপনার নাম অবশ্যই বাস্তব নাম হওয়া উচিত যেন বন্ধু পরিবারের সদস্য এবং পরিচিতরা সহজেই আপনাকে খুঁজে পাই। ফেসবুক অনেক সময় ভেরিফিকেশনের জন্য এই তথ্য ব্যবহার করে তাই ভুল বা অপ্রকৃত তথ্য দেওয়া আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে ।জন্মতারিখের ক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক দিন মাস এবং বছর উল্লেখ করুন ।এটি শুধু ফেসবুকের জন্য নয় ভবিষ্যৎ অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার বা নিরাপত্তা যাচাই করার সময়ও গুরুত্বপূর্ণ।

একটা কথা মনে রাখতে হবে আপনি যদি ভুল তথ্য দিন তাহলে ফেসবুক কখনো কখনো এখন সীমিত করতে পারে বা ভেরিফিকেশন জটিল হয়ে যেতে পারে ।ফোন নাম্বার এবং লিঙ্গ যথাযথভাবে পূরণ করার জরুরী সঠিক তথ্য ব্যবহার করলে ফেসবুকের নিয়ম মেনে একাউন্ট পরিচালনা করা সহজ হয় আপনার একাউন্ট নিরাপদ থাকে এবং আপনি সহজেই নতুন বন্ধু করতে মেসেজ পাঠাতে পারেন ।আর এই ধাপগুলো অনুসরণ করলে আপনার ফেসবুক আইডি নিরাপদ এবং ব্যবহার করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।

মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন

ফেসবুক আইডি তৈরি করার পরবর্তী ধাপ হলো ইমেইল নাম্বার বা ইমেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা। ফেসবুক ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ এবং অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত নিরাপত্তা করার জন্য মোবাইল নাম্বার বা ইমেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ।আপনি চাইলে শুধু মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করতে পারেন আর চাইলে ইমেইল ঠিকানাও ব্যবহার করতে পারেন ।মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল দেওয়ার সময় অবশ্যই সঠিক এবং বর্তমান ব্যবহার করা তথ্য ব্যবহার করুন যাতে ভেরিফিকেশন কোড বা গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন খুব সহজেই আপনার কাছে পৌঁছায়।

সহজ-পদ্ধতিতে-ফেসবুক-আইডি-খোলার-১০টি-গোপনীয়-টিপস

রেজিস্ট্রেশন করার সময় ফেসবুক আপনাকে একটি কোড পাঠাবে যা মোবাইল বা ইমেইলে ভেরিফাই করতে হবে করতে ।নির্দিষ্ট স্থানে লিখলেই আপনার নতুন অ্যাকাউন্ট সক্রিয় হয়ে যাবে ।সঠিক মোবাইল নাম্বার বা ইমেইল ব্যবহার করলে শুধু একাউন্ট খোলার সহজ হয় না এটি ভবিষ্যৎ অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার বা নিরাপত্তা।  এই ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর আপনি খুব সহজেই বন্ধু খুঁজতে মেসেজ পাঠাতে এবং facebook এর অন্যান্য সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ

শক্তিশালী ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করার নিয়ম

ফেসবুক আইডি নিরাপদ রাখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো শক্তিশালী ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করা ।অনেক নতুন ব্যবহারকারী সাধারণ বা সহজ ব্যবহার করে যেমন "123456" বা password যা খুব সহজেই হ্যাক করা যায় । নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হলে বড় হাতের অক্ষর A-Z ,ছোট হাতের অক্ষর a-z, সংখ্যা 0-9 ,এবং বিশেষ চিহ্ন !@#$ ,ব্যবহার করা উচিত ।উদাহরণস্বরূপ deshbasi.@$12%!45 এর মত জটিল ,কিন্তু মনে রাখা সহজ পাসওয়ার্ড অনেক নিরাপদ ।পাসওয়ার্ড শক্তিশালী হয় যথেষ্ট নয় এটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে কখনো প্রকাশ করবেন না এবং একই পাসওয়ার্ড বিভিন্ন সাইটে ব্যবহার করবেন না। নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা একটি ভালো অভ্যাস যা আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং ও অনুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে ।এছাড়া ফেসবুক টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করলে পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা আরো জরুরী ।শক্তিশালী ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে আপনার ফেসবুক আইডি নিরাপদ থাকে এবং আপনি অনায়াসে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে পারেন ।পোস্ট করতে ,ছবি পোস্ট করতে পারবেন । নতুন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা ধাপ।

ভেরিফিকেশন করতে ফেসবুক আইডি নিশ্চিত করা

ফেসবুক আইডির খোলার পরবর্তীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ভেরিফিকেশন করে আইডি নিশ্চিত করা ।ভেরিফিকেশন হলো একটি সক্রিয় যার মাধ্যমে ফেসবুক যাচাই করে ।যে আপনি যে ফোন নম্বর বা ইমেইল ব্যবহার করেছেন সেটি সত্যিই আপনার কিনা, সাধারণত ফেসবুক একটি ভেরিফিকেশন কোড আপনার মোবাইল নাম্বার বা ইমেইলে পাঠায়। আপনাকে সেইতা  ফেসবুকে নির্দিষ্ট স্থানে সঠিকভাবে লিখতে হবে। যদি ভুল করেন তাহলে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে না এবং আপনার অ্যাকাউন্ট কিছু সময়ের জন্য সীমিত বা অসক্রীয় অবস্থায় থাকতে পারে।

ভেরিফিকেশন করার পরেই আপনার ফেসবুক আইডি পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে যায় ।এখন আপনি বন্ধু খুঁজতে মেসেজ পাঠাতে, পোস্ট করতে এবং ফেসবুকের অন্যান্য সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন ।এছাড়া ভেরিফিকেশন করা অ্যাকাউন্ট ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা যাচাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে পুনরুদ্ধার এবং হ্যাকিং থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নতুন ব্যবহারকারীদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব এই ধাপকে সম্পন্ন করা সঠিকভাবে ভেরিফিকেশন করলে আপনার ফেসবুক আইডি নিরাপদ বিশ্বস্ত এবং ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত থাকবে।

প্রোফাইল ছবি ও কভার ছবি যোগ করা

ফেসবুক আইডি খোলার পর প্রোফাইল ছবি ও কভার ছবি যোগ করা হলো আপনার একাউন্টেকে সম্পূর্ণ আকর্ষণীয় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ।প্রোফাইল ছবি হলো আপনার ফেসবুক পরিচালনার মুখ,যা দেখে আপনার বন্ধু এবং পরিচিতরা সহজেই আপনাকে চিনতে পারবে ।একটি পরিষ্কার স্পষ্ট এবং আকর্ষণীয় ও আপনার মুখ ভালোভাবে দেখা যায় এবং হালকা হাসি থাকলে আরো সুন্দর হয় জিনিসটা ।প্রোফাইল ছবির মাধ্যমে শুধু আপনার পরিচয় প্রকাশ হয় না বরং এটি আপনার একাউন্টে বিসর্জন ও বিশ্বস্ত।

কভার ছবি হলো আপনার প্রোফাইলের ওপরে বড় ছবি যা আপনার স্বভাব, আগ্রহের  প্রতিফলন দেখাতে সাহায্য করে ।উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি ভ্রমণ পছন্দ করেন তাহলে কোন সুন্দর ভবনের ছবি কভার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ছবি যোগ করা খুবই সহজ, প্রোফাইল ছবির জন্য প্রোফাইল পিকচার বা প্রোফাইল ছবি যোগ করুন অপশনে ক্লিক করে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ছবি নির্বাচন করুন, কভার ছবির জন্য এড কভার ফটো বা কভার ছবি যোগ করুন অপশনে ক্লিক করে ছবি আপলোড করুন এবং প্রয়োজনে ছবি ক্রপ করে সাইজে ঠিক করুন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রাইভেসি সেটিংস ঠিকভাবে চালু করে

ফেসবুক আইডি খোলার পর গুরুত্বপূর্ণ প্রাইভেস সেটিং ঠিক ভাবে চালু করা হলো আপনার একাউন্টে নিরাপদ রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ ।প্রাইভেট সেটিং ঠিক মতন না করা থাকলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য এবং ছবি সবাই দেখতে পারবে যা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর প্রাইভেট সেটিং পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনীয়ভাবে পরিবর্তন করা উচিত ।ফেসবুকে সেটিং এ গিয়ে আপনি  আপনার পোস্ট ,প্রোফাইল ,ছবি, বন্ধুর তালিকা এবং অন্যান্য তথ্য দেখতে পারবেন।

উদাহরণ স্বরূপ যদি বলি তাহলে আপনি শুধু বন্ধুদের জন্য সীমাবদ্ধ রাখতে পারেন অথবা কিছু পোস্ট পাবলিক রাখতে পারেন , একইভাবে প্রোফাইল আন ট্যাগিং সেটিংস ব্যবহার করলে আপনি নির্ধারণ করতে পারেন কেউ কি আপনার প্রোফাইলে ট্যাগ করতে পারবে কিনা। ঠিকভাবে চালু করলে আপনার ফেসবুক আইডি নিরাপদ থাকে, অনুমোদিত অ্যাক্সেস রোদ হয় এবং আপনি শান্তিতে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারেন। প্রাইভেসি নিয়মিত পরীক্ষা করা ভালো নতুন ফিচার আসলে বা আপনার প্রয়োজনীয় অনুযায়ী ফিচার সেটিং পরিবর্তন করতে পারেন

আরো পড়ুনঃ

বন্ধু খোঁজা ও ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠানো

ফেসবুক আইডি খোলার পর বন্ধু খোঁজা ও ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো হলো আপনার ফেসবুক ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথমে আপনি চাইলে আপনার পরিচিত ম্যানেজার খুঁজে পেতে পারেন। ফেসবুকে সার্চ বক্স ব্যবহার করে বন্ধুদের নাম লিখে খুঁজে পাওয়া যায় । বন্ধু খুঁজে পেলে তাদের প্রোফাইল খুলে এক ফ্রেন্ড বা বন্ধু যোগ করুন বাটনে ক্লিক করুন । ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠানোর সময় কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার। শুধুমাত্র আপনি যাদের চেনেন বা পরিচিত তাদেরকে রিকোয়েস্ট পাঠান ।


সহজ-পদ্ধতিতে-ফেসবুক-আইডি-খোলার-১০টি-গোপনীয়-টিপস

খুব অচেনা বা সন্দেহজনক প্রোফাইল কে রিকুয়েস্ট পাঠালে আপনার প্রাইভেটের ঝুঁকিতে থাকতে পারে। রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর যিনি গ্রহণ করবেন, সেই মুহূর্তেই তারা আপনার বন্ধু তালিকায় যুক্ত হয়ে যাবে। বন্ধু হয়ে গেলে আপনি তাদের পোস্ট, ছবি এবং স্টোরি দেখতে পারবেন , একইভাবে তারা আপনারও দেখতে পারবে । নিয়মিত বন্ধু খোঁজা এবং প্রয়োজনমতো রিকোয়েস্ট পাঠানো ফেসবুক ব্যবহারকে আরো মজার ও কার্যকর করে তোলে। এটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করে আপনার বন্ধুদের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করে।

শেষ কথাঃ সহজ পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি খোলার ১০টি গোপনীয় টিপস

সহজ পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি খোলার দশটি গোপনীয় টিপস ওপরে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে । উপরে যেভাবে ধাপে ধাপে সবকিছু বলা হয়েছে তাতে করে আশা করা যায় নতুন ফেসবুক ব্যবহার কারীরা সঠিক নাম, জন্ম তারিখ ,মোবাইল নাম্বার ,ইমেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করে ,প্রোফাইল ও কভার ছবি যোগ করে ,ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে একটি প্রোফাইল তৈরি করতে। এইসবে আপনাকে একটি নিরাপদ ও কার্যকর ফেসবুকে একাউন্ট দিতে সাহায্য করবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url